সোমবার, ২৯ Jun ২০২৬, ০৮:০৫ পূর্বাহ্ন

শিরোনামঃ
ট্রাম্প যুদ্ধবিরতি বললেও থাইল্যান্ড কম্বোডিয়ার সংঘাত চলছেই ওমান উপসাগরে ট্যাঙ্কার জব্দ, ইরানে বাংলাদেশিসহ ১৮ ক্রুকে আটক মুক্তিযুদ্ধ ও ৭১ বাদ দিয়ে কোনো চেতনা বাংলাদেশের জন্য মঙ্গল নয়: শামীম হায়দার ষড়যন্ত্র চলছে, নির্বাচন অতো সহজ হবে না : তারেক রহমান হাদির ওপর হামলায় ব্যবহৃত মোটরসাইকেল শনাক্ত, মালিক গ্রেফতার দেশের সব নির্বাচন অফিসে নিরাপত্তা জোরদারের নির্দেশ সুদানে জাতিসংঘের ঘাঁটিতে হামলা, ৬ বাংলাদেশি শান্তিরক্ষী নিহত জাপানে জোট সরকার গড়তে রাজি এলডিপি, ইশিন হামাস যুদ্ধ বিরতির লঙ্ঘন ঘটিয়েছে অভিযোগ করে গাজায় ইসরায়েলের হামলা যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে ট্রাম্পবিরোধী বিক্ষোভে লাখো মানুষের ঢল

সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহারে সন্তানদের যে পরামর্শ দেবেন

মোটামুটি সব কিশোর-কিশোরী সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ব্যবহার করে। বেশ সুন্দর করে একটা প্রোফাইল দেওয়া থাকে। চেনা বা অচেনা অনেকেই প্রতিদিন প্রোফাইল ভিজিট করে। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তারা যখন কিছু পোস্ট করে সেটা সবসময় ঠিক নাও হতে পারে।

সোশ্যাল মিডিয়ার যেমন ভালো দিক আছে তেমনি আছে খারাপ দিক। সে বিষয়ে জেনে নেওয়া যাক।

কিশোর কিশোরীর জন্য ভালো দিকগুলো হতে পারে-

১. বন্ধু এবং পরিবারের সাথে যোগাযোগ রক্ষা হয়।

২. স্বেচ্ছাসেবক বা প্রচারণা, অলাভজনক বা দাতব্যের কাজে সাথে জড়ানো।

৩. সঙ্গীত এবং শিল্প বা সৃজনশীল কোনো কাজ শেয়ার করার কারণে তাদের সৃজনশীলতা বাড়ে।

৪. একই বিষয়ে আগ্রহ আছে এমন কারো সাথে দেখা এবং যোগাযোগ হয়।

৫. পুরোনো শিক্ষক বা সহপাঠি বা হারিয়ে যাওয়া বন্ধু খুঁজে পাওয়া যায়।

খারাপদিকগুলো হতে পারে-

১. অনেক সময় সোশ্যাল মিডিয়া সাইবার বুলিং এবং সন্দেহজনক কার্যকলাপের কেন্দ্র হয়ে ওঠে। না বুঝে কিশোর-কিশোরীরা অনেক কিছু শেয়ার করে সাইবার বুলিংয়ের শিকার হয়।

২. অনলাইনে এমন কারো সাথে পরিচয় হয়েছে যাকে তারা চেনে না এবং পরিচয়ের পর তাকে নিয়ে কিশোর বা কিশোরীর মনে ভয় বা অস্বস্তি শুরু হয়েছে। কিন্তু পরিবারকে বলতে ভয় পাচ্ছে।

৩. অনলাইনে নানা রকম বিজ্ঞাপন থাকে যেগুলো হয়তো তাদের রয়সের নয়। কিন্তু না বুঝে বা বুঝে তারা ক্লিক করে ফেলছে।

৪. কোনো ওয়েবসাইটে ঢুকতে বয়স নিয়ে মিথ্যা লিখছে।

৫.  তাদের পরিচয়, কোথায় পড়ে, কোথায় থাকে সব কিছু পোস্ট করে দিচ্ছে। কখন কোথায় যাচ্ছে সেটার তথ্যও দিয়ে দিচ্ছে।

৬.  বিভিন্ন ধরনের অ্যাপ ব্যবহারের কারণে কিশোর-কিশোরীরা কখন কোথায় অবস্থান করছে সেই অ্যাপ প্রকাশ করে দিচ্ছে। কেউ ক্ষতি করতে চাইলে সহজেই তার অবস্থান সম্পর্কে জেনে যাবে।

৭. একবার সোশ্যাল মিডিয়ায় কিছু পোস্ট করলে বা কোনো মন্তব্য করলে সেটি আর মুছে ফেলা যায় না থেকে যায়।  কিছু একটা ছোট বয়সে না বুঝে পোস্ট করেছে।  কিন্তু পরবর্তিতে এটা অসুবিধার কারণ হতে পারে।

৮.  অনেকে সোশ্যাল মিডিয়ায় প্রচুর সময় কাটায়। ফলে কোন বন্ধু কী করছে , কে কী পড়ছে, কোথায় ঘুরতে যাচ্ছ বা খাচ্ছে সব দেখতে পায়। ঠিক সেই জিনিসগুলো নিজে না করতে পারলে মন খারাপ হয়ে যায়। মানসিক অবসাদে ভোগে।

অবিভাবক হিসেবে আপনি কী করতে পারেন?

আপনার সন্তানদের বলতে পারেন-

১. কোনো পোস্টে বাজে মন্তব্য করা যাবে না। সন্তানকে বোঝান অন্যকে সম্মান দিতে হয়। কোনো পোস্ট ভালো না লাগলে এড়িয়ে যেতে হবে।

২. সোশ্যাল মিডিয়ায় কিছু পোস্ট করার আগে দশবার চিন্তা করতে হবে। যেমন বাসার ঠিকানা, কোথাও ঘুরতে গেলে সেই জায়গার ঠিকানা। অর্থাৎ যে জিনিসগুলো একান্ত ব্যক্তিগত সেগুলো প্রকাশ থেকে বিরত থাকতে বলুন।

৩. সোশ্যাল মিডিয়ায় অচেনা কাউকে বন্ধু বানানো থেকে দূরে থাকতে হবে। যেহেতু তারা এখনো ছোট কে ভালো কে খারাপ সেটি বুঝতে পারবে না।

৪. সন্তানদের বোঝাতে হবে সোশ্যাল মিডিয়ার পাসওয়ার্ড কারো সাথে শেয়ার করা যাবে না। হোক সে বন্ধু বা অন্য প্রিয় মানুষ। এটি একান্তই ব্যক্তিগত।

সূত্র : কিডস হেল্থ।

Please Share This Post in Your Social Media

© All rights reserved © 2017 Nagarkantha.com